রাজনীতির ময়দানেও স্বচ্ছন্দ নবির ভরসা টিম স্পিরিটেই, আইএসএলে চান ইস্টবেঙ্গলকেও

সৈয়দ রহিম নবি। ফুটবলের ময়দান থেকে রাজনীতির আঙিনায় এসেও দারুণভাবে নিজেকে পরিণত করে তুলেছেন। ঠিক যেভাবে বিভিন্ন পজিশনে খেলে দলকে ভরসা দিয়ে থাকেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে অল্প কিছু ভোটে হেরে গেলেও পালিয়ে যাননি। বরং মাঠ আঁকড়ে পড়ে থেকে মানুষের পাশে রয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকেই পান্ডুয়া বিধানসভা এলাকায় দলের চেয়ারম্যান করে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। নবি নিজেও বলছেন, ফুটবল খেলে যা অর্জন করেছি তা যথেষ্ট। তবু দিদিকে দেখেই মানুষের জন্য কিছু করতে রাজনীতিতে পা রাখা। প্রবীণ নেতা-কর্মীদের সক্রিয় করে তাঁর বার্তা, কাজে ভুল হয়ে থাকলে সিনিয়ররা নিশ্চয় তা ধরিয়ে দেবেন, গাইড করবেন। দলে থেকে কেউ দলের ক্ষতি করছে বলে মনে হলে ভুল বুঝে কেউ সরে যাবেন না। জানবেন, দল ঠিক নজর রাখছে। বরং সকলে ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগঠনকে জোরদার করে দিদির হাত আরও শক্ত করতে হবে। আর বিজেপি কিছু বললে শুধু জানতে চাইবেন, একটা কাজ বলো যেটা তোমরা মানুষের ভালোর জন্য করেছ।

লকডাউন পর্বে রক্তদান শিবির আয়োজনে খুব জোর দিচ্ছেন নবি। কয়েক দিন আগে পান্ডুয়ায় বড়ো মাপের রক্তদান শিবির আয়োজন করেছিলেন। শনিবার ১১ জুলাই পান্ডুয়ার কাছেই পাথরঘাটায় এক রক্তদান শিবিরে রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে ছুটে গিয়েছিলেন। বললেন, এই সময় এমন রক্তদান শিবির খুব জরুরি। থ্যালাসেমিয়া-সহ অনেক রোগীর জীবন বাঁচানোর সহায়ক হবে এমন রক্তদান শিবির।

তার ফাঁকেই কথা হলো ফুটবল নিয়ে। তিন প্রধানে খেলেছেন, এটিকেতেও ছিলেন। এটিকের সঙ্গে মোহনবাগানের গাঁটছড়াকে স্বাগত জানিয়ে নবি বললেন, সারা বিশ্বে মোহনবাগানের সমর্থক রয়েছেন, এটিকেরও ফ্যান বেস রয়েছে। দুই দল মিশে যাওয়ায় ফ্যান বেস আরও বিস্তৃত হলো। তাছাড়া মানুষ এখন অনেক আরাম করে ফুটবল দেখতে চান। ইস্টবেঙ্গলও আইএসএলে চলে এলে ব্যাপারটা দারুণ হবে। আজও কলকাতা ডার্বির জনপ্রিয়তা, আবেগ অতুলনীয় গোটা দেশে। তাছাড়া গ্রাম থেকে প্রতিভা তুলে এনে আকাদেমিতে প্রশিক্ষণের যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে তাও বাংলার ফুটবলকে এক নতুন দিশা দেখাবে বলেই আশাবাদী নবি। তিনি নিজেও পান্ডুয়াতে আকাদেমি চালান। আপাতত কলকাতায় কোচিং না করিয়ে গ্রাম থেকে ভবিষ্যতের নবি তুলে আনাই লক্ষ্য নবির।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*