দিলীপ-জয়প্রকাশরা ডোবাচ্ছেন বিজেপিকে, রাজনীতি-ত্যাগ মেহতাবের

এত তাড়াতাড়ি মুখ পুড়বে ভাবেনি বিজেপি‌। তবে দিলীপ ঘোষ, জয়প্রকাশ মজুমদাররা একের পর এক ফাউল করে যে বিজেপিকে ডোবাচ্ছেন তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বিজেপি। বাংলার ভোট নিয়ে সপ্তাহব্যাপী আলোচনা করতে দিলীপ, রাহুল, মুকুলদের দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। সেই আলোচনা শুরুর আগেই রাম-ধাক্কা।

২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। বিজেপি ত্যাগের সিদ্ধান্ত ষষ্ঠী দুলে মারফত বিজেপি নেতৃত্বকে জানিয়ে দিয়েছেন মেহতাব, যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। মেহতাবকে মঙ্গলবার ২১ জুলাই বিজেপিতে যোগদান করিয়ে পতাকা ধরিয়েছিলেন দিলীপ, জয়প্রকাশ। মেহতাব বলেছিলেন, মানুষের জন্য কাজ করতেই রাজনীতির প্ল্যাটফর্মে আসা। যদিও এরপর সমর্থকদের প্রচুর ফোন পান। স্ত্রী-সহ পরিবারের সমর্থনও পাননি। অবশেষে তিনি সিদ্ধান্ত নেন বিজেপি-ত্যাগের। ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন, যে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে রাজনীতিতে যোগদান, তাঁরাই যখন আমাকে রাজনীতিতে চাইছেন না, তখন সে পথে হাঁটব না। এই প্রতিবেদন লেখার সময় মেহতাবের ফোন সুইচড অফ। হয়তো নিজেই পরে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন। তবে বাংলার ফুটবলমহলের খবর, প্রাক্তন ফুটবলারদের টানতে লোভনীয় প্রস্তাব দিচ্ছে বিজেপি, টাকাও ঢালছে। বেনিফিট ম্যাচ আয়োজন বা আমফান ত্রাণ বিলিতেও বিজেপি টাকা দিচ্ছে। সে কারণে এই সংগঠনকে আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত এক জায়গায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ষষ্ঠী দুলে, কল্যাণ চৌবেদের দিয়ে ফুটবল জগতে ঢুকতে চাইছে বিজেপি। কয়েকজনের বিরুদ্ধে বাজার থেকে টাকাও তোলার অভিযোগ আছে। তৃণমূলে এ সব করা যাবে না বলে কেউ কেউ বিজেপিতে যেতেও চাইছেন। ওখানে গেলেই তো সব দুর্নীতি সাফ হয় বিজেপি নামক ওয়াশিং মেশিনে। তবে মেহতাবের পিছু হঠা সেই ফুটবলারদের ভাবাচ্ছে। 

সর্বভারতীয় ক্রিকেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কর্ণধার বলে যে টি কে মান্নাকে গতকাল বিজেপি যোগদান করেন এবং তিনি ধোনি, রায়নাদের নাম করে তাঁর সংস্থার কথা বলেন, ক্রিকেট জগতে এরকম কিছুর অস্তিত্ব মিলছে না, থাকলেও তা বোর্ড স্বীকৃত নয়। পাড়ার ক্লাবের মতো কিছু হতে পারে। দলে নিতে জালিয়াতি করে তাই বারবার মুখ পুড়ছে বিজেপির।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*