জগদীপ ধনখড়ের দুঃখের দিন আসছে, বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দাবি কল্যাণের

তরুণ মুখোপাধ্যায়

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ১৮টি আসন পাবে না। রবিবার ৬ সেপ্টেম্বর শ্রীরামপুরের মাহেশে এ কথা বলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি নেতৃত্বকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, ভোটে হারা-জেতা বড়ো কথা নয়, বড়ো কথা মানুষের সঙ্গে থাকা। করোনা আর আমফানের সময় বিজেপির কাউকে দেখা যায়নি। ১৮ জন সিআইএসএফ জওয়ান নিয়ে দিলীপ ঘোষ হাফ প্যান্ট পরে মর্নিং ওয়াক আর বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন।

বাকিরা ঘরে বসে ‘বাতেলাবাজি’তে ব্যস্ত থেকেছেন। ভদ্রলোকের মতো রাজনীতি করলে আপত্তি নেই, কিন্তু জওয়ানদের ঘেরাটোপে থেকে কুকথা চালিয়ে গেলে বাংলার মানুষ মেনে নেবেন না। এমনিতেই মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর ৭-৮ জন নেতা কম্পিটিশনে নেমেছেন, মাঝেমধ্যে রাজনীতির বাইরের লোকের নাম ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। লাভ হবে না। একুশে ফের বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করবেন। তাই রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের দুঃখের দিন আসছে একুশের মে মাসে। যেদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, সেদিন তাঁকে কাঁদতে কাঁদতে বাংলা ছাড়তে হবে।

এদিন শ্রীরামপুর বিধানসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের ১০০ জন বিজেপি সমর্থক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হতে তৃণমূলের পতাকাতলে এলেন। তাঁদের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হুগলি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দিলীপ যাদব। এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রীরামপুর পৌরসভার প্রশাসক অমিয় মুখোপাধ্যায়, বৈদ্যবাটি পৌরসভার প্রশাসক অরিন্দম গুইন, শ্রীরামপুর পৌরসভার কো-অর্ডিনেটর সন্তোষ সিং, গৌরমোহন দে, শান্তনু গঙ্গোপাধ্যায়, তাপস মিত্র, অসীম পন্ডিত, তিয়াশা মুখার্জি, ঝুম মুখার্জি-সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*