গোপীবল্লভপুরে বিজেপিতে ভাঙন, মানুষের পাশে থাকতে নির্দেশ যুবযোদ্ধাদের

বেলপাহাড়ির পর শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর বাংলার যুবশক্তির কর্মশালা হলো ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে। এদিন কর্মশালা চলাকালীন গোপীবল্লভপুর বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাংলার যুবশক্তিকে দৃঢ় করতে ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নযজ্ঞে সামিল হতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিল বিজেপি, সিপিআইএম মিলিয়ে অন্তত ৩০০ পরিবার। বেশ কয়েকজন দলীয় পদাধিকারীও দল ছেড়ে তৃণমূলে এলেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি সোহম চক্রবর্তী, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও বাংলার যুবশক্তির অন্যতম কো-অর্ডিনেটর নির্মাল্য চক্রবর্তী, তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ছত্রধর মাহাত, বিধায়ক চূড়ামণি মাহাত-সহ জেলা নেতৃত্ব।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইউনিক কর্মসূচির লক্ষ‌্যের কথা তুলে ধরে সোহম চক্রবর্তী বলেন শীঘ্রই এই কর্মসূচিতে ১০ লক্ষ যুবযোদ্ধাকে সামিল করতে হবে। ঝাড়গ্রাম জেলায় বিগত ৯ বছরে মা-মাটি-মানুষ সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ সালে শপথ নিয়ে বলেছিলেন জঙ্গলমহল আমাদের আশীর্বাদ করেছে, সেখানে উন্নয়নের কাজ দ্রুতগতিতে করতে হবে। ঝাড়গ্রাম এখন জেলা হয়েছে, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, ফেয়ার প্রাইস শপ হয়েছে।

আগে মুমূর্ষু রোগীকে কলকাতায় নিয়ে যেতে গেলে মাঝপথেই মৃত্যু হতো। কিন্তু এখন জেলাতেই চিকিৎসা হচ্ছে। কয়েক হাজার পড়ুয়া কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, সবুজসাথী-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। ৬৫ হাজার অসংগঠিত শ্রমিকের নাম এই জেলায় নথিভুক্ত হয়েছে। তাঁরা সরকারি সব প্রকল্পের কথা জানেন কিনা তা দেখাই কাজ হবে যুবযোদ্ধাদের। ভোটের কথা, দলীয় প্রচারের কথা পরে, আগে এখন মানুষের পাশে থাকতে হবে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রশাসনের নজরে এনে মানুষের সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে পারেন তা নিশ্চিত ও সফল করার ভার কিন্তু যুবযোদ্ধাদের। জয় জোহার-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে মানুষকে সহায়তা করতে হবে। কেউ যেন বলতে না পারেন কোনও প্রকল্পের কথা কেউ এসে জানায়নি বলে তার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*